Fennel (Mouri) / মৌরি 250g

  • Fast Shipping

    Receive products in amazing time
  • Easy Returns

    Return policy that lets you shop at ease
  • Always Authentic

    We only sell 100% authentic products
  • Secure Shopping

    Your data is always protected

৳ 80.00

Highlights

মৌরি খনিজ লবণসমৃদ্ধ একটি বীজ। এতে কপার, আয়রন, পটাসিয়াম, সেলেনিয়াম, জিংক ও ম্যাগনেসিয়াম প্রচুর পরিমাণে আছে। এ ছাড়া আছে ভিটামিন এ, সি, ই এবং কয়েকটি বি ভিটামিন। মৌরি আঁশসমৃদ্ধ এবং এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভনয়েড। রেস্তোরায় খাওয়ার পর মুখে মৌরি দেয়নি, এমন লোক খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। মৌরি মুখশুদ্ধি হিসেবে যেমন অসাধারণ, একইসঙ্গে এই মশলার দারুণ গুণের প্রভাবে শরীর হতে পারে চনমনে।

Description

মৌরি খনিজ লবণসমৃদ্ধ একটি বীজ। এতে কপার, আয়রন, পটাসিয়াম, সেলেনিয়াম, জিংক ও ম্যাগনেসিয়াম প্রচুর পরিমাণে আছে। এ ছাড়া আছে ভিটামিন এ, সি, ই এবং কয়েকটি বি ভিটামিন। মৌরি আঁশসমৃদ্ধ এবং এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভনয়েড। রেস্তোরায় খাওয়ার পর মুখে মৌরি দেয়নি, এমন লোক খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। মৌরি মুখশুদ্ধি হিসেবে যেমন অসাধারণ, একইসঙ্গে এই মশলার দারুণ গুণের প্রভাবে শরীর হতে পারে চনমনে। আসুন দেখে নেই মৌরির কিছু গুণাগুণ ও ব্যবহার।

  • পেট পরিষ্কার রাখার ওষুধ তৈরিতে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মৌরি। আর এটি পেটের গ্যাস যেমন দূর করে তেমন হজমের গণ্ডগোলও দূর করতে সহায়তা করে। মৌরি চিবোলে মুখ থেকে যে লালা ক্ষরিত হয় তা হজমে সাহায্য করে। পাশাপাশি ‌মৌরিতে যে ফাইবার থাকে তা যেমন খাদ্যকে পাচনতন্ত্র বেয়ে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে তেমনই তা কোষ্ঠবদ্ধতার ওষুধ হিসেবেও কার্যকর। হজম ক্ষমতা কমে গেলে আজ থেকেই মৌরি ভেজানো পানি বা সরাসরি মৌরি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। কারণ মৌরির মধ্যে থাকা এস্ট্রাগল, ফেঙ্কন এবং অ্যানথল নামক উপাদান, পেটের অন্দরে প্রদাহ তো কমায়ই, সেই সঙ্গে পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে গ্যাস-অম্বল এবং বদ-হজমের মতো সমস্যা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে। অর্থাৎ মৌরিতে হজম শক্তি বাড়ে। খাবার হজম করতে সাহায্য করে। গ্যাসের সমস্যয় দারুন উপযোগী। এক গ্লাস জলে সারা রাত মৌরি ভিজিয়ে রেখে সেই জল খেলে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের কারণে হওয়া পেট ব্যাথা কমে। এছাড়াও অন্যান্য পেটের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে মৌরি। যদি বদহজমের লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে মৌরি দানা চাবিয়ে খেলেও কিছুটা উপকার পাওয়া যাবে।
  • অতিরিক্ত গরম বা গরম আবহাওয়ায় মৌরি খেলে শরীরে প্রশান্তি আসে। মৌরিতে শরীর ঠান্ডা করার বিশেষ উপাদান রয়েছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও মৌরির নানা গুণের কথা বলা হয়েছে। স্নায়ু ও মনকে শান্ত করতে মৌরির তেল মালিশ করা যায়।
  • মৌরিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ এবং বেটা ক্যারোটিন , যা দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি নানাবিধ চোখের সমস্যাকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও এর ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সেই সঙ্গে গ্লকোমা সম্পর্কিত নানা লক্ষণ কমাতেও সাহায্য করে। চোখের সমস্যা গ্লুকোমা দূর করতে মৌরির চা কার্যকর।
  • মৌরির চা তৈরি করে পান করা যায়। মৌরির চা নিয়মিত খেলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়ে যায় এবং প্রস্রাবের সমস্যা দূর হয়। এটি মূত্রবর্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা দূর করতেও উপকারী।
  • নিয়মিত সামান্য পরিমাণে মৌরি খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয়।
  • মৌরিতে যে তেল ও তন্তু থাকে, তা রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে পারে। মৌরি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে শরীরকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। নিয়মিত মৌরি খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফাইবার এবং এসেনশিয়াল অয়েলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে দিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।
  • মৌরি শরীরের ওজন কমাতে এবং শরীরের ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। যদি দ্রুত শরীর থেকে বাড়তি মেদ কমাতে চান তাহলে প্রতিদিন সকালে মৌরি বীজ ভেজানো পানি পান করুন। এটা বিপাকের হার বাড়ায় এবং চর্বি খরচ করতে সাহায্য করে যা ওজন কমানোর সহায়ক। তাছাড়া এটা ক্ষুধা কমাতেও ভালো কাজ করে।
  • মায়ের বুকের দুধ নবজাতক সন্তানের জন্য বলদায়ক এবং রোগপ্রতিরোধক। অনেক সময় প্রসূতি মায়ের শারীরিক সমস্যা থাকলে পর্যাপ্ত দুধ উত্‍পন্ন হয় না। মৌরি সে সমস্যাও দূর করে এবং বুকের দুধ বাড়াতে সাহায্য করে।
  • স্ট্রোক এবং হার্টের রোগ বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ভোগেন মানুষ। মৌরি এসবের সম্ভাবনাকে কমিয়ে আনে।
  • মৌরি দেহের ভেতর জোলাপ বা ল্যাক্সিটেভ তৈরিতে ব্যবহার হয়। পানিমিশ্রিত মৌরির রস পেট ফাঁপা এবং পেট ব্যথার জন্য উপকারী।
  • মৌরি সাইনাসের সমস্যা দূর করতেও উপযোগী। কারণ এতে থাকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট যা সাইনাসের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও হাঁপানির সমস্যা, ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে মৌরি।
  • মৌরি এবং এর পাতার নির্যাস কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে।
  • ক্যান্সারের সমস্যাতেও মৌরির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ত্বক, স্তন ও পেটের ক্যানসার তৈরিতে যেসব উপাদান কাজ করে, তা ঠেকাতে পারে মৌরির প্রভাব। দেহে ক্যান্সারকে ছড়িয়ে পড়তে দেয় না। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মৌরিকে ‘মঙ্গলকর’ উপাদান হিসেবে বর্ণনা করা হয়। বিভিন্ন খাবারে তাই মৌরি মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উদ্ভিজ্জ নয় এমন খাবার রান্না করা ও গরম করা হলে তা বাতাসে ক্যান্সার উৎপাদক উপাদানের সৃষ্টি করে। যার ফলে ক্যান্সার রোগ দেখা দেয়। মৌরি শরীর থেকে এসকল বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে ও ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
    মৌরির আঁশ কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
  • পেটের সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে মৌরির তেলের বিশেষ উপকারী গুণ আছে। গ্যাস্ট্রিক এনজাইম তৈরিতে এই মৌরি কার্যকর ভূমিকা রাখে। সুতরাং প্রতিদিন সকালটা যদি প্রচন্ড যন্ত্রণা দিয়ে শুরু হয়, তাহলে আজ থেকেই মৌরি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন অস্বস্তি কমতে সময় লাগবে না। আসলে এর মধ্যে থাকা বিশেষ এক ধরনের তেল বর্জ্যের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য মতো সমস্যা কমতে সময় লাগে না।
  • মৌরির বীজ আয়রন ও ডি কমপ্লেক্স ভিটামিন সমৃদ্ধ যা ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। এতে জিংক ও সেলেনিয়াম থাকে যা অকালপক্কতা দূর করে চুলকে শক্তিশালী করে, চুলের ফলিকল মসৃণ করে ও দ্রুত বড় হতে সাহায্য করে। ব্রণ দূর করার ক্ষমতা আছে মৌরির। নিয়মিত মৌরি খেলে শরীরে জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম ও সেলেনিয়ামের মতো উপাদান যুক্ত হয়। এটি হরমোন ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা করে। ত্বককে ঠান্ডা করে ও ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও ব্রণর সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে।
  • নিয়মিত মৌরি দিয়ে বানানো চা খেলে একদিকে যেমন দেহের অন্দরে অতিরিক্ত পানি জমার সম্ভাবনা কমে, তেমনি রক্তে মিশে থাকা টক্সিক উপাদানেরা শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোগভোগের আশঙ্কা অনেক কমে যায়।
  • মৌরিতে আছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট যা সাইনাস পরিষ্কার রাখে এবং তা সাইনাসের সমস্যা দূর করতে পারে এবং এটি অ্যাজমার রোগীদের স্বস্তি দেয়। ব্রঙ্কাইটিস ও কফের সমস্যা দূর হয় মৌরির চা খেলে। হাঁপানির সমস্যা সমাধানেও মৌরি থেকে উপকার পাওয়া যাবে। মৌরির ভেতরে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ফুসফুসের কর্মক্ষমতা তো বাড়ায়ই, সেই সঙ্গে শ্বাস প্রশ্বাসের প্রক্রিয়া যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে শ্বাস কষ্ট এবং ব্রঙ্কাইটিসের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, কফ এবং সর্দি-কাশির প্রকোপ কমাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
  • সমপরিমাণ ভাজা মৌরি এবং চিনি নিয়ে গুঁড়া করে দুই ঘণ্টা পর পর ঠাণ্ডা পানির সঙ্গে দুই চামচ পরিমাণ মিশিয়ে খেলে পেটের অসুখ ভালো হয়।
  • সামান্য ঘি বা মাখন দিয়ে মৌরি ভেজে বোতলে ভরে রাখুন। যখন ধূমপানের ইচ্ছা জাগবে আধা চা চামচ চিবান, নেশা কমে যাবে।
  • সর্দি-কাশিতে ভোগা ব্যাপারটা এখন প্রায় সহনীয় হয়ে গিয়েছে। হালকা সর্দি সবারই কম-বেশি থাকে দূষণ বেড়ে যাওয়ার কারণে। যদি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চান, তাহলে নিয়ম করে মৌরি মুখে ফেলুন। দেখবেন উপকার পাবেন।
  • মুখে কোনও কারণে ঘা হয়ে থাকলে, কোনও খাবার খেলেই জ্বালা করে। মাঝেমধ্যে এরকম সমস্যায় যাঁরা ভোগেন, তাঁরা নিয়মতি মৌরি চিবিয়ে দেখতে পারেন। মৌরির রস ওই সমস্যা একেবারে দূর করে।
  • মৌরি পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খাওয়ার কথা তো শুনেছেন। অনেকেই খেয়েওছেন। মৌরির রস পেট ফাঁপা ভাব দূর করে। এক সপ্তাহ যদি খেতে পারেন, রোজ সকালবেলা নিয়ম করে, তাহলে ভীষণ উপকার পাবেন। পেট কামড়ালেও তত্‍ক্ষণাত্‍ উপকার দেয় মৌরি ভেজা মিছরি পানি।
  • অনেকেরই পেটে বাড়তি চর্বি জমে যায়। এ সমস্যা দূর করতে পারে নিয়মিত মৌরি সেবন। এ জন্য প্রতিদিন সামান্য মৌরি, জিরা ও মেথির গুঁড়া একত্রিত করে উষ্ণ পানিতে মিশিয়ে পান করা যেতে পারে।
  • মৌরি মুখের প্রদাহ এবং ঠাণ্ডা সারাতে সাহায্য করে। মৌরির পাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করে এর ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিলে অ্যাজমা এবং ব্রঙ্কাইটিস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
  • আপনার যেকোনো রান্না খাবারের স্বাদ বাড়াতে পারে মৌরি। এ জন্য আপনি মৌরি এয়ারটাইট পাত্রে সংরক্ষণ করতে পারেন। রান্নার সময় এটি যে খাবারেই দেবেন, তারই স্বাদ বেড়ে যাবে।
0.0/5
0 reviews
0
0
0
0
0

There are no reviews yet.

Be the first to review “Fennel (Mouri) / মৌরি 250g”