Discovery Organic Apple Cider Vinegar With The Mother | অ্যাপল সাইডার ভিনেগার উইথ মাদার 1Ltr

  • Fast Shipping

    Receive products in amazing time
  • Easy Returns

    Return policy that lets you shop at ease
  • Always Authentic

    We only sell 100% authentic products
  • Secure Shopping

    Your data is always protected

৳ 1,250.00

Highlights

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার আমাদের অনেকের কাছে খুব একটা পরিচিত না হলেও স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয়। শরীরের ওজন, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করার পরিমাণ কমানোসহ বহু উপকার করে এ ভিনেগার। তাইতো স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের ডায়েট তালিকায় অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের উপস্থিতি আজকাল নিয়মিত। আপেল থেকে গাঁজন বা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় অ্যাপল সাইডার ভিনেগার তৈরি করা। এ ভিনেগারে ৫-৬ শতাংশ অ্যাসেটিক এসিড থাকে যা শরীরের জন্য অনেক উপকারি। অ্যাপল সাইডার ভিনেগারে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট ও খনিজ লবণ। প্রতিদিনের ডায়েট তালিকায় অ্যাপল সাইডার ভিনেগার থাকলে ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

Description

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার আমাদের অনেকের কাছে খুব একটা পরিচিত না হলেও স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয়। শরীরের ওজন, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করার পরিমাণ কমানোসহ বহু উপকার করে এ ভিনেগার। তাইতো স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের ডায়েট তালিকায় অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের উপস্থিতি আজকাল নিয়মিত। আপেল থেকে গাঁজন বা ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় অ্যাপল সাইডার ভিনেগার তৈরি করা। এ ভিনেগারে ৫-৬ শতাংশ অ্যাসেটিক এসিড থাকে যা শরীরের জন্য অনেক উপকারি। অ্যাপল সাইডার ভিনেগারে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট ও খনিজ লবণ। প্রতিদিনের ডায়েট তালিকায় অ্যাপল সাইডার ভিনেগার থাকলে ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে। আসুন জেনে নেই, অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের কিছু উপকারিতা ও ব্যবহার।

  • ব্যাকটেরিয়া নিধন করতে সাহায্য করে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার ভিনেগার। তাই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত স্থান পরিষ্কার করতে এটি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া নখের ছত্রাক, আঁচিল, উকুন, কানের ইনফেকশন উপশম করতেও এ ভিনেগার ব্যবহার করা যায়। কয়েক হাজার বছর আগে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করার জন্য ভিনেগার ব্যবহার করা হতো। খাবার সংরক্ষণ করতেও ব্যবহার করা হয় ভিনেগার। এতে খাবারে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক জন্মায় না। প্রাকৃতিকভাবে খাবার সংরক্ষণ করতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন অ্যাপল সাইডার ভিনেগার। এছাড়া, ব্রনসহ ত্বকে ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে এ ভিনেগার খুব কাজের। তবে ত্বকে দিতে হলে ভিনেগারের সঙ্গে অবশ্যই পরিমাণ মতো পানি মিশিয়ে নেবেন।
  • টাইপ- ২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খুবই উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র দুই টেবিলচামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খেলে, সকালে রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ার গতি কমবে চার শতাংশ। যাদের ডায়াবেটিস নেই, তারাও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। তবে যারা ইতোমধ্যে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধ খাচ্ছেন, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ভিনেগার খাওয়া তাদের জন্য ঠিক হবে না।
  • ওজন কমাতে সাহায্য করে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার। শর্করা সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পর ভিনেগার খেলে দিনের পরবর্তী সময়ে সহজে ক্ষুধা লাগে না। ওবেসিটি বা অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া রোগে আক্রান্ত ১৭৫ জনকে নিয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে, রোজ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস ওজন কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে কমে পেটের মেদ। তবে অবশ্যই খাবার গ্রহণের পরিমাণও কমাতে হবে, শুধু ভিনেগারই ওজন কমাবে না।
  • বর্তমান বিশ্বে অকাল মৃত্যুর অন্যতম কারণ হৃদরোগ। রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়লে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। অ্যাপল সাইডার ভিনেগার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে ও ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে এ ভিনেগার খুবই উপকারী।
  • অ্যাপল সাইডার ভিনেগার রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধী শক্তি। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, এ ভিনেগার ক্যানসার কোষ নির্মূল ও টিউমার সারাতে ভূমিকা রাখে। তবে এটি এখনো সর্বব্যাপী স্বীকৃত নয়। এনিয়ে আরও গবেষণা চলছে।
  • অ্যাপল সাইডার ভিনেগার পুরো দেহের Ph-এর সমতা রক্ষা করতে সহায়তা করে। যার শরীরে Ph এর মাত্রা কম তার খুব তাড়াতাড়ি যেকোনো রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে এবং দেহে শক্তি অনেক কম থাকে। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের নিয়মিত সেবনে ভিতর থেকে দেহে শক্তি সঞ্চয় হয়।
  • অ্যাপল সাইডার ভিনেগার শরীরের লিভার ভালো রাখে এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন অ্যাপল সাইডার ভিনেগারঃ

  • রান্নায় এ ভিনেগার ব্যবহার করা যায়। ঘরে মেয়োনিজ তৈরির সময় বা সালাদেও দেয়া যায় এ ভিনেগার।
  • পানির সঙ্গে মিশিয়ে পানীয় হিসেবেও পান করা যেতে পারে এটি। যেমন, এক গ্লাস পানিতে ১/২ টেবিলচামচ (৫-১০ মিলিলিটার) অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করতে পারেন।
  • এই ভিনেগার ব্যাকটিরিয়া মারতে সক্ষম বলে ডায়রিয়া সমস্যায় বিশেষ উপকারী। এক-দু’ চা চামচ ভিনেগার এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে খেলে উপকার মিলবে।
  • ডায়াবেটিসের সমস্যায় এই ভিনেগার উপকারী। মূলত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্টের কারণেই রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ে। খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক গ্লাস পানিতে এক চামচ অ্যাপল সাইডার মিশিয়ে খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • গলাব্যথার ক্ষেত্রে আধ কাপ ঈষদুষ্ণ পানিতে দু’চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার ও মধু মিশিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন অনেকটা।
  • হজমের সমস্যাতে মেটাতেও এই ভিনেগার খুব কার্যকর। গরম পানিতে এক চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগারে বদহজম থেকে মুক্তি মেলে সহজেই।
  • শ্যাম্পু করার পর চুল ধুয়ে নিন অ্যাপল সাইডার ভিনেগার মেশানো পানি দিয়ে। কন্ডিশনারের সমান উপকার পাবেন। চুল নরম হবে, ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির জন্য খুশকির সমস্যাও কমবে দ্রুত। চুলে শ্যাম্পু দেয়ার পর আমরা অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ব্যবহার করতে পারি। এতে করে চুলে কন্ডিশনিং হবে, তাছাড়া চুলের খুশকি যাবে এবং চুল নতুন করে গজাবে। একটি স্প্রে বোতলে অথবা কোন বোতলে ৩ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এবং এক কাপ পানি মিশিয়ে রেখে দিবেন। শ্যাম্পু করার পর স্প্রে করবেন পুরো চুলে। (এই ভিনেগার দেয়ার পর চাইলে কন্ডিশন-ও করতে পারেন)।
  • এটি টোনার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করে টোনারের মত করে তুলো দিয়ে এই ভিনেগার লাগাবেন, তারপর ক্রিম লাগাবেন। এতে করে ত্বকের দাগ চলে যাবে এবং মুখের ব্রণ কমবে।
  • প্রতিদিন ত্বকে একে ব্যবহার করলে ত্বকে কোন মরা কোষ থাকে না, ত্বক উজ্জ্বল হয়, বলিরেখা দূর করে, স্কিনের PH-এর সমতা রক্ষা করে, লোমকূপ ছোট করে, মুখে ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ কমে যায়।
  • যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তারা এক গ্লাস পানিতে ১ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিলিয়ে খান, খুব তাড়াতাড়ি আরাম পাবেন (যাদের আলসার আছে তাদের জন্য নয়)।
  • মুখের নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ দূর করতে এটি সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে গার্গেল করুন।

 

সতর্কতাঃ

  • প্রথমেই অনেকটা অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খেয়ে নেবেন না। শরীরকে এর সঙ্গে অভ্যস্ত হতে সময় দিন। প্রথমে অল্প অল্প করে খাওয়া শুরু করুন। না হলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে, গলা জ্বলতে পারে, ক্ষয় হতে পারে দাঁতের এনামেল।
  • অতিরিক্ত খাবেন না। এ ভিনেগার রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে, এটা ঠিক। কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে। ফলে দেখা দিতে পারে ক্ষুধামন্দা।
  • ডায়াবেটিস ও অন্য বেশকিছু রোগের ওষুধের সঙ্গে ভিনেগার খেলে উপকারের চেয়ে অপকার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ভালো করে জেনেশুনে নিশ্চিত হয়ে এ ভিনেগার ব্যবহার করা উচিত।
  • ভরাপেটে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খেলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • অনেকেই কিছু খাওয়ার আগে তার গন্ধ শুঁকে দেখেন। অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের ক্ষেত্রে এটা করবেন না। কারণ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার শুঁকলে চোখ ও নাকের সমস্যা হতে পারে। তাই অ্যাপল সাইডার ভিনেগার পানিতে মিশিয়ে হালকা করেও খেতে পারেন। তাতে এর কড়া গন্ধ আপনার নাকে যাবে না।
  • অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খেয়েই দাঁত ব্রাশ করবেন না। এতে আপনার দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যেতে পারে। এর ফলে আপনার দাঁতে ক্যাভিটি দেখা দিতে পারে। তাই অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পরে দাঁত ব্রাশ করুন।
  • রাতের বেলা শুতে যাওয়ার ঠিক আগে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খাবেন না। এটি খাওয়ার পর অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে থাকবেন। নয়তো গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।
0.0/5
0 reviews
0
0
0
0
0

There are no reviews yet.

Be the first to review “Discovery Organic Apple Cider Vinegar With The Mother | অ্যাপল সাইডার ভিনেগার উইথ মাদার 1Ltr”