Black Seed Honey 1Kg | কালোজিরা ফুলের মধু ১কেজি

  • Fast Shipping

    Receive products in amazing time
  • Easy Returns

    Return policy that lets you shop at ease
  • Always Authentic

    We only sell 100% authentic products
  • Secure Shopping

    Your data is always protected

৳ 1,250.00

Highlights

মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। কুরআন ও হাদীসে মধুর অনেক গুনাগুন সম্পর্কে বলা হয়েছে। মধুর অসংখ্য গুনাগুন আছে যা আমাদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় অগ্রগন্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আমরা সবাই কমবেশি কালোজিরার উপকারিতা সম্পর্কে জানি। কালোজিরায় যে বিশেষ ঔষধিগুন আছে তা এই মধুতে বিশেষভাবে থাকে। এ মধুর স্বাদও অনেক ব্যতিক্রম।

Description

মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। কুরআন ও হাদীসে মধুর অনেক গুনাগুন সম্পর্কে বলা হয়েছে। মধুর অসংখ্য গুনাগুন আছে যা আমাদের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় অগ্রগন্য ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

মধুতে কি কি উপাদান রয়েছে?
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫-১২ শতাংশ মন্টোজ। আরো থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ ভাগ এনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।

পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, মধুতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে।

ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি মধুতে বিদ্যমান।

মধুর উপকারিতা
মধু চিকিৎসা বিজ্ঞান একটি অন্যতম উপাদান। মুধুকে বলা হয় সর্বরোগের ওষুধ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা – মধুর ব্যবহার সবখানে।

  • রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়ঃ মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে এবং বাইরে যে কোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও যোগান দেয়।
  • হৃৎপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করতে মধুঃ মধু শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। মধুর সাথে দারচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। রক্তনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হৃদরোগের ঝুকি অনেকাংশে কমে যায়। উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করতে পারে মধু। দু’চামচ মধুর সাথে এক চামচ রসুনের রস মিশিয়ে সকাল সন্ধ্যা দু’বার এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমে। প্রতিদিন সকালে খাবার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত।
  • শক্তি বৃদ্ধি করেঃ মধু তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে। তাছাড়া মধু যেহেতু এক প্রকার প্রাকৃতিক চিনি সেহেতু এটি দ্রুত শরীরে ক্যালোরির অভাব পুরন করে।
  • যৌন সমস্যায়ঃ যৌন সমস্যায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে মধু। প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করলে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়। ঋতুস্রাব অনিয়মিত হতে থাকলে ছোট চামচে এক চামচ তুলসীর রস সমপরিমাণে মধু ও এক চিমটি বা একাটি গোলমরিচের গুঁড়ো এক সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুবার করে দুমাস নিয়মিত সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়।
  • ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ মধুতে ভিটামিন, মিনারেল এবং এমাইনো এসিড আছে। যা শরীর মুটিয়ে যাওয়া রোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হাল্কা গরম পানির সাথে লেবুর রস এবং মধু মিশিয়ে পান নিয়মিত পান করলে ওজন কমাতে সহায়তা করে। মধু খেলে পাকস্থলী থেকে বাড়তি গ্লুকোজ তৈরি হয় যার জন্য মস্তিষ্কের সুগার লেভেল বেড়ে যায় এবং মেদ কমানোর হরমোন নিঃসরণের জন্য রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করে। ফলে মেদ কমার সুযোগ তৈরি হয়। তাছাড়াও এ প্রক্রিয়া নিয়মিত অনুসরন করলে শরীরে বিষক্রিয়া দূর হয়, লিভার পরিস্কার হয় এবং শরীরের চর্বি দূর হয়।
  • হজমে সাহায্য করেঃ মধু পেটের অম্লীয়ভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। মধুতে যে পরিমাণ শর্করা থাকে তা সহজেই হজম করতে সাহায্য করে থাকে। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে ক্রিয়া করে। পেট রোগা মানুষদের জন্য মধু বিশেষ উপকারি।
  • অনি​দ্রায়ঃ মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম এবং সম্মোহনের কাজ করে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স যা ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। আবার, ১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
  • অ্যালার্জি কমায়ঃ আবহাওয়ার পরিবর্তন কিংবা পরিবেশগত নানা কারণে অনেকেই অ্যালার্জি সমস্যাতে পড়েন। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত মধুপানি খেলে পরিবেশগত অ্যালার্জি কম হয়। শরীরকে এ ধরনের অ্যালার্জির বিরুদ্ধে লড়াই করার মত সক্ষম করে তুলে।
  • তারুণ্য বজায় রাখতেঃ মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়। মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত।
  • হাড় ও দাঁতের গঠনেঃ মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। আর মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।
  • রক্তশূন্যতায়ঃ মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ উপকারী । কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।
  • ঠান্ডা জ্বরে মধুঃ সাধারণ ঠান্ডা ও জ্বরের ঘরোয়া চিকিতসায় মধু বেশ উপকারী। এক কাপ গরম জলে মধু, লেবু, দারুচিনি ও আদা মিশিয়ে খেলে জ্বর কমে যায়। দ্রুত নিরাময়ের জন্য দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর এই মিশ্রণ খাওয়া যায়।
  • কাশি নিরাময়েঃ গবেষণায় দেখা গেছে মধু কাশি প্রতিরোধ ক্ষমতা কাশির ঔষধ এর তুলনায় অনেক বেশি। যে ব্যাকটেরিয়ার জন্য কাশি হয় মধুর এন্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান সে ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে পারে অতি দ্রুত। দীর্ঘমেয়াদী হোক আর স্বল্পমেয়াদী হোক, যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। এটি কাশির সাহায্যে শ্লেষ্মা বের করে ফেলার একটি সহায়ক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এটি ঠান্ডা, কাশি, কণ্ঠনালির ক্ষত, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি থেকে দ্রুত উপশম দেয়।
  • রুপচর্চায় মধুঃ মধু ত্বক ও চুলের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। মধু ত্বককে আরও উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে সহায়তা করে। মধু প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে এবং অনেক সময় ধরে এটি ধরে রাখে। ত্বকের ক্লিনজার হিসেবে বেশ কার্যকরী মধু । মধু শরীরে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়া হিসেবে কাজ করে। মধু ত্বকের গভীরে গিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে থাকে। ​সংবেদনশীল ও ব্রণযুক্ত ত্বকের ক্লিনজার হিসেবে বেশ কার্যকরী মধু। মধুর মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান ব্রণের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে থাকে।
0.0/5
0 reviews
0
0
0
0
0

There are no reviews yet.

Be the first to review “Black Seed Honey 1Kg | কালোজিরা ফুলের মধু ১কেজি”